বৈঠকগুলোতে ভূমি অবক্ষয় ও খরা মোকাবিলা, জলবায়ু সহনশীলতা, বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বাণিজ্য ও শ্রম অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
ভারতের পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দর যাদবের সঙ্গে বৈঠকে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরীয় উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
মঙ্গোলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাতসেতসেগ বাতমুনখের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশি কৃষিপণ্য, ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও তৈরি পোশাক রপ্তানির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন পরিবেশমন্ত্রী। পাশাপাশি মঙ্গোলিয়ায় বাংলাদেশি দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মীদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাও উঠে আসে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) উপমহাপরিচালক উগোচি ড্যানিয়েলসের সঙ্গে বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসন, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিয়ে আলোচনা হয়। মঙ্গোলিয়ার পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভূমি পুনরুদ্ধার, মরুকরণ নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু অভিযোজন বিষয়ে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূমি অবক্ষয়ের মতো আন্তঃসীমান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার করা জরুরি। এসব বৈঠকের মাধ্যমে পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।




