জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর ৩০ আগস্ট দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। জোরপূর্বক গুমকে বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে এ অপরাধ বন্ধ, নিখোঁজদের সন্ধান এবং তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ‘আয়নাঘর’ হিসেবে পরিচিত গোপন বন্দিশালা থেকে কয়েকজন ব্যক্তি মুক্ত হওয়ার পর গুমের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের হিসাবে, গত ১৫ বছরে দেশে ৭০০-এর বেশি মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৫০ জনের বেশি এখনো নিখোঁজ।
দীর্ঘদিনের আহ্বানের পর বাংলাদেশ ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট জাতিসংঘের গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করে। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সনদটি গৃহীত হয় এবং ২০১০ সালে এর বাস্তবায়ন শুরু হয়।
গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। গুমের কারণে মৃত্যু, মরদেহ উদ্ধার কিংবা পাঁচ বছর পরও সন্ধান না মিললে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
দিবসটির মূল লক্ষ্য জোরপূর্বক গুমের অবসান, দায়মুক্তি বন্ধ, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার ও অধিকার নিশ্চিত করা।




