রোববার হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী রোগীদের চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি এবং হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে টিকাদান কেন্দ্রে সাপের কামড় ও জলাতঙ্কের পর্যাপ্ত টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল চালু করেছিলেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিকায়নের পাশাপাশি ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। সেখানে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্যাথলজি সুবিধা এবং নারী ও শিশুদের জন্য পৃথক শয্যার ব্যবস্থা করা হবে। শিগগিরই হাসপাতালে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়মিত উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনে কঠোর নজরদারি থাকবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিনানুমতিতে অনুপস্থিতি বরদাশত করা হবে না।
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন।




