সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে সিপিডি আয়োজিত ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে ই-গভর্নেন্স: বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, ই-গভর্নেন্সকে শুধু একমুখী সেবা দেওয়ার মাধ্যম না বানিয়ে নাগরিকদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সেবার সহজলভ্যতা, অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্ত এবং জবাবদিহিতার ভিত্তিতে এর সাফল্য মূল্যায়ন করা উচিত।
তিনি স্থানীয় সরকার প্ল্যাটফর্মে তরুণদের কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সহায়তার সুযোগ তৈরির পাশাপাশি ডিজিটাল জরিপ ও অংশগ্রহণমূলক বাজেট প্রণয়নে তাদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান।
নারী, প্রতিবন্ধী, জাতিগত সংখ্যালঘু, নিম্ন আয়ের পরিবার ও প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ যেন ই-গভর্নেন্স থেকে বাদ না পড়েন, তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি অনলাইন হয়রানি, সাইবার নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট, প্রশিক্ষিত জনবল, সমন্বিত তথ্যভান্ডার, সাইবার নিরাপত্তা এবং স্পষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব ছাড়া শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।




