মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বান্দরবান প্রেসক্লাব চত্বরে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার বান্দরবানে আগমন উপলক্ষে আয়োজিত গণসংবর্ধনা ও বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
পার্বত্যমন্ত্রী বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই পাহাড়ি এলাকার উন্নয়নের মূল ভিত্তি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় পাহাড়ের সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, সুপেয় পানির সরবরাহ বৃদ্ধি এবং কৃষকদের কফি ও কাজুবাদাম চাষে সরকারি সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, ভোটারদের আস্থা ও ভালোবাসায় সংসদ ও মন্ত্রিসভায় পার্বত্যবাসীর প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন। শান্তি, শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতির বন্ধনে একটি বৈষম্যমুক্ত বান্দরবান গড়ে তোলার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ওসমান গণিসহ দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মন্ত্রী নীলাচল সড়কের সংযোগস্থলে ‘হোটেল হিলি রেইনবো বান্দরবান’-এর উদ্বোধন করেন। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে বান্দরবান যাওয়ার পথে বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে ফুল দিয়ে তাকে সংবর্ধনা জানান।




