জেডিইউর জাতীয় কার্যকরী সভাপতি ও বিহারের রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় কুমার ঝাকে দেওয়া এক চিঠিতে এ আশ্বাস দেন তিনি। চিঠিতে জয়শঙ্কর জানান, চুক্তির বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে।
তিনি বলেন, এসব আলোচনায় বিহারের পানীয় জল ও শিল্পখাতের পানির প্রয়োজনীয়তাসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত ও চাহিদা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বিহার সরকারের একজন অনুমোদিত প্রতিনিধিও ২০২৩ ও ২০২৪ সালের কয়েকটি পরামর্শ বৈঠকে অংশ নেন।
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তিটি ফারাক্কা ব্যারেজে শুষ্ক মৌসুমের পানি প্রবাহ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
এর আগে গত ৬ আগস্ট রাজ্যসভায় চুক্তি নবায়নের সময় বিহারের স্বার্থ সুরক্ষার দাবি জানিয়েছিলেন সঞ্জয় কুমার ঝা। কেন্দ্রের আশ্বাসকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিহারের পানীয় জল, সেচ ও শিল্পখাতের প্রয়োজনীয়তা ন্যায়সঙ্গতভাবে বিবেচনা করা উচিত।



