এ লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বাস্তবায়নে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটি চলার কথা রয়েছে। অনুমোদনের জন্য এটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
বর্তমানে জন্মের পর জন্মনিবন্ধন এবং ১৮ বছর বয়সে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হয়। নতুন ব্যবস্থায় বয়সের কোনো সীমা থাকবে না। জন্মের পরই নাগরিককে একক পরিচয়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় পরিচয়পত্র, পারিবারিক কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন কার্ডের সেবাও এর আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাবে প্রায় ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য পরিচয়পত্র তৈরির কথা বলা হয়েছে। কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণ করা হবে ২০ কোটি। প্রতিটি কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ, বিতরণ ও সরবরাহে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৬৯ টাকা।
প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের অর্থায়ন ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।
কর্মকর্তারা বলছেন, একক পরিচয়পত্র চালু হলে সরকারি বিভিন্ন সেবা নিতে নাগরিককে একই তথ্য বারবার দিতে হবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও কর শনাক্তকরণ নম্বরের তথ্যভান্ডারের মধ্যে আন্তসংযোগ তৈরি করা গেলে সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর হতে পারে।




