রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। এ সময় বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি নিয়ে প্রস্তুতিমূলক আলোচনা শুরুর বিষয়েও অগ্রগতির কথা জানানো হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশি মালিকানাধীন সরবরাহ ও পরিবহন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন, বাণিজ্যিক নমুনা আমদানির সীমা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি পণ্যের উৎস শনাক্তকরণে ব্যবহৃত স্মার্ট কার্ডের শুল্কায়নসহ বিভিন্ন জটিলতার সমাধান করা হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার জানান, মুক্ত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবে ইউরোপীয় কমিশন ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন শেষ হলে চলতি সপ্তাহেই যৌথ কারিগরি আলোচনা শুরু হতে পারে।
বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার উদ্যোগেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সুপারিশ ইতিবাচক হয়েছে এবং আগামী সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিষয়টি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরু হলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন রপ্তানি খাতে নতুন বাজার ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




