সোমবার পূর্ব তিমুরের দিলিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটির ৭৯তম অধিবেশনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের হাতে এ-সংক্রান্ত অভিনন্দনপত্র তুলে দেন সংস্থাটির মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস।
অভিনন্দনপত্রে বাংলাদেশের এ অর্জনকে জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সরকারের দৃঢ় নেতৃত্ব, কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি, প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রগতির প্রশংসা করা হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে প্রসব ও ধাত্রীসেবা নিশ্চিত করা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে সহযোগিতাও মাতৃমৃত্যু কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এ ছাড়া গত এক দশক ধরে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অবস্থান ধরে রাখায়ও বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে সংস্থাটি। শক্তিশালী জাতীয় অঙ্গীকার, মানসম্মত টিকাদান কর্মসূচি এবং দেশজুড়ে নিরাপদ প্রসবের চর্চাকে এ সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় বলেছে, মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অর্জন ধরে রাখতে গত এক দশকে আঞ্চলিকভাবে নেওয়া সম্মিলিত উদ্যোগেও বাংলাদেশের এ সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ উল্লেখযোগ্য জনস্বাস্থ্য অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে।




