তেজগাঁও সিএসডিতে চালু থাকা ৩৫টি গুদামের মধ্যে দৈবচয়ন ভিত্তিতে ১০টি গুদাম পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় চাল ও আটার মান পরীক্ষা করার পাশাপাশি গুদামরক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কতদিন ধরে খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে, তা রেজিস্টার দেখে যাচাই করেন।
কর্মকর্তারা জানান, তেজগাঁও সিএসডিতে মোট ৪৩টি গুদাম রয়েছে। এর মধ্যে চারটি গুদামে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ত্রাণসামগ্রী রাখা হয়েছে। বর্তমানে চালু ৩৫টি গুদামে প্রায় ৩৭ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে।
পরিদর্শনকালে কয়েকটি গুদাম ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ার বিষয়টি মন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি দ্রুত সেগুলো সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করার নির্দেশ দেন। প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
সিএসডির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জনবল সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। মন্ত্রী এসব সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টতা থাকা বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার কথা জানান।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি মাঝেমধ্যে আকস্মিকভাবে পরিদর্শনে আসবেন এবং দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দেশ সবার। নিজের ঘরের সম্পদ যেমন নষ্ট বা চুরি হতে দেওয়া যায় না, তেমনি রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষেত্রেও কোনো অনিয়ম বা অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না।
খাদ্যশস্যের নিরাপদ সংরক্ষণ, গুণগত মান বজায় রাখা এবং সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসীম উদ্দিন খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




