মঙ্গলবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে এখনো প্রায় ২২ শতাংশ মানুষ সাক্ষরতা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে। এদের বড় একটি অংশ প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী। পাশাপাশি বিদ্যালয়ে যাওয়ার বয়সী অনেক শিশুও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে। তাই এই জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ও দক্ষতার মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোকে দেশের অন্যতম শক্তিশালী ও ক্ষমতায়িত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। চলমান কার্যক্রম আরও ফলাফলমুখী করার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকল্পের পরিধি পুনর্নির্ধারণ, পুনর্গঠন ও নতুনভাবে গুরুত্ব নির্ধারণের ওপর জোর দেন তিনি।
ববি হাজ্জাজ বলেন, কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না—এটাই সরকারের লক্ষ্য। শিশুদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি এমন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে নিজেদের কর্মজীবন গড়ে তুলতে পারে।
শিক্ষা খাতে বাজেটের অর্থ ভবন নির্মাণের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা, সাক্ষরতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নে ব্যয় করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, শুধু সাক্ষরতার হার বাড়ানোই যথেষ্ট নয়। এমন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, যা মানুষের জীবনমান উন্নত করবে, মূল্যবোধ তৈরি করবে এবং কর্মজীবনে কার্যকর ভূমিকা রাখার সক্ষমতা বাড়াবে।
অনুষ্ঠানে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক মনোয়ারা ইশরাতের সভাপতিত্বে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার, অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




