মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। জামিনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর যাচাই-বাছাই শেষে নিয়ম অনুযায়ী তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র জেল সুপার নজরুল ইসলাম।
মামলার নথি অনুযায়ী, ফ্ল্যাট কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি গুলশান থানায় মামলা করেন ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন। অভিযোগে বলা হয়, বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির বিষয়ে বিদিশার সঙ্গে তার ৮০ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গত ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগের আদেশ দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত না থাকায় বিদিশার বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। পরে গত ২৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।
এরপর হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন বিদিশা। শুনানি শেষে গত ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তার জামিন মঞ্জুর করেন। সেই আদেশের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মঙ্গলবার বিকেলে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।




