গত ১৯ থেকে ২১ মে দেশব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা ২০২৬’ আয়োজন করা হয়। এ সময় নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, সার্টিফায়েড কপি ও মৌজা ম্যাপসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়া হয়। প্রান্তিক পর্যায়ে সেবা পৌঁছে দিতে ১ হাজার ২৮৬টি ‘ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র’ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে ছয়টি জেলায় জিওফেন্সিং প্রযুক্তিনির্ভর ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপের পাইলটিং শুরু হয়েছে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসমৃদ্ধ ‘ভূমিপিডিয়া ১.১’, চ্যাটবট এবং অনলাইন অভিযোগ ও কারিগরি সহায়তা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
ডিজিটাল ভূমি রেকর্ড ব্যবস্থাপনা সিস্টেমে (ডিএলআরএমএস) ৮ কোটি ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯৫৭টি খতিয়ান ও ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৭৭টি মৌজা ম্যাপ শিট আপলোড করা হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণের স্বচ্ছতা বাড়াতে এলএআরএমএস সফটওয়্যার চালু হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণের অর্থ সরাসরি ইএফটির মাধ্যমে দেওয়ার কার্যক্রম চলছে।
এ ছাড়া ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা আইন এবং স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল বিধিমালা, ২০২৬ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। শূন্য পদে ১ হাজার ২৪০ জন জনবল নিয়োগ, ৩২১ জন কানুনগো ও ২৫ জন অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০০টি উপজেলার ভূমি জোনিং ম্যাপ প্রস্তুত এবং নতুন চরভূমি ও জলমহাল ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।



