চীনের হাইকোতে অনুষ্ঠিত ‘বোয়াও এশিয়া ফোরাম গ্লোবাল হেলথ ফোরাম ২০২৬’ সম্মেলনে বক্তব্যে মন্ত্রী এসব অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ওষুধ প্রায় ১৬০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। চীনের বাজারে বাংলাদেশি ওষুধের প্রবেশ সহজ করার পাশাপাশি কাঁচামাল উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা ও স্মার্ট স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, চিকিৎসা শিক্ষা, ক্যানসার চিকিৎসা, রোবোটিক সার্জারি ও দূরবর্তী রোগী পর্যবেক্ষণে প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে প্রবীণবান্ধব স্বাস্থ্যব্যবস্থা, পুনর্বাসন ও সহায়ক প্রযুক্তি এবং টিকা গবেষণা ও উৎপাদনে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, এশিয়ার স্বাস্থ্য খাতের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে দেশগুলো কতটা কার্যকরভাবে সহযোগিতা, উদ্ভাবন ও যৌথ দায়িত্ব ভাগ করে নিতে পারে তার ওপর। সম্মেলনে চীন, লাওস, মিশর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।



