বাঁশ দ্রুত বেড়ে ওঠায় এটি নবায়নযোগ্য কাঁচামাল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। এর শিকড় মাটির ক্ষয় রোধে সহায়তা করে। পাশাপাশি বাঁশঝাড় বিভিন্ন প্রাণীর আশ্রয় ও খাদ্যের উৎস হিসেবেও কাজ করে।
বাঁশের কচি কঞ্চি বা বাঁশের কোড়ল বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। এ ছাড়া বাঁশের তৈরি ঝুড়ি, আসবাব, শোপিস ও নানা ব্যবহার্য সামগ্রী বিক্রি করে বহু কারিগর ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা জীবিকা নির্বাহ করেন।
জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশদূষণের কারণে টেকসই বিকল্প উপকরণের প্রয়োজন বাড়ছে। সেই জায়গায় বাঁশকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা। বিশ্ব বাঁশ দিবস তাই শুধু একটি উদ্ভিদকে স্মরণ করার দিন নয়, বরং প্রকৃতি, জীবিকা ও অর্থনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ার বার্তাও দেয়।


