এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা তাঁকে আটক করেন। জব্দ করা ফোনের সার্চ হিস্ট্রি পরীক্ষা করে পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো অনুসন্ধানের তথ্য পাওয়া যায়। পরে উত্তরপত্র রিপোর্ট করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠানো হয়।
বিষয়টি শৃঙ্খলা পরিষদে পাঠানোর পর গত ২০ আগস্ট শাস্তির সুপারিশ করা হয়। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে ৩১ আগস্ট উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় শাস্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৭ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী স্বাক্ষরিত আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
একই সভায় পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনসহ বিভিন্ন অপরাধে ফেরদাউসসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মোট ৬৪ শিক্ষার্থীকে ‘পরীক্ষা +১’, ‘পরীক্ষা +২’ ও ‘পরীক্ষা +৩’ মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।


