শুক্রবার বিকেলে ঢাকার সদরঘাটের বাদামতলী বিআইডব্লিউটিসি টার্মিনালে এ উদ্যোগ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিতসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপাঞ্চলের মানুষের জন্য দ্রুত উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ। ভাসমান হাসপাতালের মাধ্যমে দুর্গম এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৌপথ ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ প্রকল্প একটি অনন্য উদ্যোগ। জাহাজগুলোকে দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সুবিধাসহ ভাসমান হাসপাতালে রূপান্তরে বিআইডব্লিউটিসি কাজ করবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিকভাবে জাহাজগুলোতে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ, জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি ল্যাব ও বহির্বিভাগসহ হাসপাতালের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করা হবে। এতে দুর্যোগপূর্ণ সময়সহ স্বাভাবিক সময়েও প্রত্যন্ত নদীমাতৃক এলাকার মানুষ মূল ভূখণ্ডে না এসেই উন্নত চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন।
প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী এবং বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানীসহ দুই মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




