শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের পর পর্যায়ক্রমে সচিবালয়, জাতীয় সংসদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হবে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জাতীয় সংসদে সৌর প্যানেল স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।
সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জেলা সফরের সময় সরকারি প্রধান কার্যালয় ও রেস্ট হাউসগুলোও সৌরবিদ্যুতের আওতায় দেখতে চান বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের খরচ ও ব্যাটারি ব্যাকআপের জন্য একটি নির্ধারিত কাঠামো করা হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ২০ বছরের চুক্তি করা হবে এবং এ সময়ে তারা বিনামূল্যে রক্ষণাবেক্ষণ সেবা দেবে।
মীর শাহে আলম আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিনা মূল্যে নেট মিটারিংয়ের ব্যবস্থা করবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবে।
অতিরিক্ত বিদ্যুতের মূল্য প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা হিসেবে পরিশোধ করা হবে বলেও জানান তিনি। এতে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যুৎ খরচ কমার পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করে সরকারের আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
আরও শক্তিশালী হেডলাইন বিকল্প:
১ অক্টোবর থেকে সৌরবিদ্যুতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, এরপর সচিবালয়-সংসদ
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে শুরু, সৌরবিদ্যুতের আওতায় আসছে সরকারি প্রতিষ্ঠান
সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুতের বড় উদ্যোগ, ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করবে সরকার
সৌরবিদ্যুতের আওতায় যাচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠান, ১ অক্টোবর শুরু প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে




