প্রকল্প দুটির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুটি কেন্দ্র নির্মাণে মোট ব্যয় তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি হতে পারে। মাতারবাড়ী কেন্দ্রটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম জানান, মাতারবাড়ীতে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের অবকাঠামো আগে থেকেই থাকায় স্থানটি নির্বাচন করা হয়েছে। বিদেশি অর্থায়ন না পাওয়া গেলে সরকারি অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে পায়রায় দ্বিতীয় পর্যায়ের ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের কেন্দ্র স্থাপনে চীনের এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়ন নেওয়ার চেষ্টা চলছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এলএনজি সরবরাহ ও দামে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় কয়লাকে তুলনামূলক স্থিতিশীল জ্বালানি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
নতুন দুই কেন্দ্র চালু হলে দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট স্থাপিত সক্ষমতা প্রায় ৬ হাজার ৬৯০ মেগাওয়াট থেকে বেড়ে ৯ হাজার ৩৩০ মেগাওয়াটে দাঁড়াবে। তবে পরিবেশগত ঝুঁকি ও ভবিষ্যতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।



