রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ১২ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথমে তিনজন এবং পরে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিদের বয়স সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুজনের বয়স ১৮ বছরের বেশি এবং একজনের বয়স ১৮ বছরের কম হতে পারে। তবে সবার জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করা হচ্ছে। তাদের অনেকের বয়স অপ্রতিমের চেয়ে ৫ থেকে ১০ বছর বেশি এবং তাদের সঙ্গে অপ্রতিমের বন্ধুত্ব ও ওঠাবসা ছিল বলেও জানান তিনি।
অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা মুঠোফোনটি প্রধান সন্দেহভাজন তুহিনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার ভাষ্য, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আলামত উদ্ধার করা হয়েছে এবং গ্রেফতার ব্যক্তিরা ঘটনা স্বীকার করেছে। পুলিশ এখন পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে।
পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার ও আলামত জব্দ করা হয়েছে। ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও ময়নাতদন্তের কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত চার্জশিট দেওয়া হবে। বিচার আদালত করবে এবং সরকার প্রয়োজনীয় আইনগত সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। নিখোঁজের প্রায় ২২ ঘণ্টা পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অপ্রতিমের মা নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।




