রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব দাবি জানান।
সংগঠনের সভাপতি এস এম আবু বকর বলেন, রাজধানীসহ সারাদেশে লাখ লাখ শ্রমজীবী মানুষের জীবিকা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ওপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষের যাতায়াতে এসব যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, প্রতিদিন ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে হাজার হাজার অটোরিকশা ঢাকায় এসে কাজ শেষে সন্ধ্যায় বের হয়ে যায়। প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হলে যানজট কমানো সম্ভব।
সংগঠনটির ১০ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—বুয়েটের ডিজাইন অনুযায়ী অটোরিকশা আধুনিকায়ন, নিরাপদ বডি ও উন্নত ব্রেকিং ব্যবস্থা; বাণিজ্যিক লাইসেন্স, নিবন্ধন ও রুট পারমিট চালু; চালকদের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশেষ লাইসেন্স বা স্মার্ট কার্ড প্রদান এবং প্রতিটি গ্যারেজে বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ও স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন।
এ ছাড়া বৈধ বিদ্যুৎ সরবরাহ ও রাজস্ব আদায় নিশ্চিত, লেড-অ্যাসিডের পরিবর্তে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহারে উৎসাহ, প্রধান সড়কে অটোরিকশার জন্য পৃথক লো-স্পিড বা সার্ভিস লেন এবং প্রয়োজনীয় স্থানে ক্রসিং ও ওভারপাস নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।
দাবিগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে অটোরিকশাকে সড়ক পরিবহন আইনের আওতায় এনে পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামো প্রণয়ন, ডিএনসিসি ও ডিএসসিসিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা চালু এবং ঢাকায় সর্বোচ্চ ৫ লাখ অটোরিকশার লাইসেন্স সীমা নির্ধারণ। পাশাপাশি হয়রানি, চাঁদাবাজি ও ডাম্পিং বন্ধ এবং সড়ক ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনায় মালিক-শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
দাবি আদায়ে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. সাইদুল মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।




