প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো—বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট-রবি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার।
এর আগে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। এর মধ্যে ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক ও মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে অনুমোদন দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকার পরিবর্তনের পর নগদের লাইসেন্স পর্যালোচনার জন্য রাখা হয় এবং কড়িকে নীতিমালার শর্ত পূরণে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবারের সভায় নতুন চারটির পাশাপাশি কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও প্রাথমিক লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।



