শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ সুরমায় সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে প্রায় ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ ৩০টি কর্মসূচি রয়েছে। এসব কর্মসূচি দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করেন তিনি।
বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল হওয়ায় এর প্রভাব নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের কারণে দ্রব্যমূল্যে প্রভাব কমাতে সরবরাহব্যবস্থা আরও সুসংহত ও মসৃণ করার কাজ চলছে। একই সঙ্গে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহে বাধা ঠেকাতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সিলেটে একটি এআই প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সিলেটের তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি করা হবে।
সিলেটের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে যোগাযোগব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ ও রেল যোগাযোগ উন্নয়নের পাশাপাশি নগরজুড়ে উন্নত প্রযুক্তির সিসিটিভি স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানান।
মন্ত্রী বলেন, নিরাপত্তার অনুভূতি না থাকলে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। সিলেটকে বাসযোগ্য, বিনিয়োগ, ব্যবসা ও পর্যটনের জন্য আরও আকর্ষণীয় শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।




