শুক্রবার (২ অক্টোবর) আদালতে দেওয়া লিখিত নথিতে ক্রিস্টিয়ার আইনজীবীরা জানান, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় তার শরীরে পেনটোবারবিটাল প্রয়োগ করা হয়েছিল। ইনজেকশন দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় তিনি ছটফট, কান্নাকাটি ও শ্বাসকষ্টে ভুগেছেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
১৯৯৫ সালে সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যার ঘটনায় ক্রিস্টিয়া পাইক দোষী সাব্যস্ত হন। হত্যাকাণ্ডের সময় তার বয়স ছিল ১৮ বছর এবং স্লেমারের ১৯ বছর। দীর্ঘ ৩২ বছর কারাবাসের পর চলতি সপ্তাহে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তবে ইনজেকশনের পরও মৃত্যু না হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়। চিকিৎসকেরা বর্তমানে তার শরীর থেকে ওষুধের প্রভাব কমানোর চেষ্টা করছেন।
এদিকে ক্রিস্টিয়ার আইনজীবীরা তার মৃত্যুদণ্ড ক্ষমা করার আবেদন জানাচ্ছেন। তাদের দাবি, দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড আর কার্যকর না করে ক্ষমার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।



