রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ও লিচুবাগান, আধুনিক পদ্ধতিতে আদা, গ্রীষ্মকালীন কাঁচামরিচ ও টমেটো চাষের এলাকা এবং বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) সেচ প্রকল্প পরিদর্শনকালে কৃষক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষিকে আমদানিনির্ভরতা থেকে রপ্তানিমুখী খাতে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে। যেসব পণ্য আমদানি করা হয়, সেগুলোর উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি থেকে বেরিয়ে আসা হবে।
মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় দেড় লাখ টন আদা আমদানি করতে হয়। আমবাগানের ফাঁকা জায়গায় আদা চাষ বাড়ানো গেলে আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং কৃষকের অতিরিক্ত আয় হবে। এ জন্য মাটির উপযোগিতা যাচাই করে ব্যবস্থা নিতে কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।
ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে নদীর পানি সেচে ব্যবহারের উদ্যোগ সম্প্রসারণের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে একটি বড় প্রকল্প অনুমোদনের পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে। রাজশাহী অঞ্চলে আম সংরক্ষণে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়েও কাজ চলছে, যাতে সংরক্ষণকাল বাড়িয়ে মৌসুমে দাম পড়ে যাওয়া রোধ করা যায়।
পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আদা, রসুন ও বর্ষাকালীন টমেটোর উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। আগামী মৌসুম থেকে বর্ষাকালীন টমেটো চাষ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাংলাদেশকে কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য।
এ সময় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিএমডিএর প্রতিনিধি ও কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।




