সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ, রক্তাক্ত জুলাইয়ের স্মৃতি নিয়ে গল্প, উপন্যাস, গবেষণা প্রবন্ধ ও সাময়িকী প্রকাশ, রাজধানীতে ‘শিশুদের চোখে জুলাই জাগর’ শীর্ষক প্রদর্শনী, ‘জুলাই জাগরণ’ ডকুফিল্ম প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, গবেষণা সম্মেলন, আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে ‘জুলাইয়ের অঙ্গীকার, ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ শীর্ষক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণ, রচনা, বক্তব্য ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, প্রতিটি জেলায় শহীদদের নামে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা, ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি’ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, শহীদ পরিবার, আহত ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে ‘লাল জুলাই’ শীর্ষক সাক্ষাৎকার ও পডকাস্ট, শহীদদের কবর জিয়ারত, আহত ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়, জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন এবং ‘ইকোস অব জুলাই’ শিরোনামে ৩৬ দিনব্যাপী অনলাইন প্রচারাভিযানও কর্মসূচির অংশ।
সংবাদ সম্মেলনে নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি মানেই আত্মত্যাগ, সাহস এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রেরণা। তিনি বলেন, অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মদান দেশের মানুষকে ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ন্যায়বিচার ও গণঅধিকারের পক্ষে দাঁড়াতে শিখিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ক্ষমতার রাজনীতির কাছে জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জনকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। শহীদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।