শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে রুই মাছ আকারভেদে প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতলা ২৩০ থেকে ৫০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং টাকি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চিংড়ির বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী দাম লক্ষ্য করা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজি চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের কিছু চিংড়ির দাম ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।
মুরগির বাজারে ব্রয়লার প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১০০ থেকে ১১০ টাকার মধ্যে রয়েছে। আর গরুর মাংস আগের মতোই প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ধানমন্ডির বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ২০০ টাকার নিচে ভালো মাছ পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। চাষের মাছ কিছুটা কম দামে মিললেও সামুদ্রিক মাছ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
ডিম বিক্রেতা মাসুম জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে সাদা ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১০০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে একই ডিমের দাম ছিল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা।
ক্রেতা নাসরিন আক্তার বলেন, মাছের দাম ক্রমেই বাড়ছে। অনেক মাছই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
রায়েরবাজারের মাছ বিক্রেতা আব্দুল কাদের জানান, মাছের দাম মূলত সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। চিংড়ির সরবরাহ কম থাকায় এর দাম বেশি। বর্ষাকালে নদীর মাছের সরবরাহ বাড়লে বাজারে দাম কিছুটা কমতে পারে।
মুরগি বিক্রেতা মো. সোহেল বলেন, ব্রয়লারের সরবরাহ কম থাকায় এ সপ্তাহে দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি কেজিতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।