বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণজাগরণে তরুণ-কিশোরেরা নজরুলের গান গেয়ে রাজপথে নেমেছেন। ফ্যাসিবাদ, জুলুম, নিপীড়ন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শিক্ষা নজরুলের সাহিত্য থেকেই পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নজরুলের গান, কবিতা ও লেখনী মানুষকে সাহস জোগায়। সামাজিক অন্যায়, বৈষম্য ও অবিচারের বিরুদ্ধে তাঁর শাণিত লেখনী ছিল শক্তিশালী প্রতিবাদের ভাষা।
নজরুলের সাহিত্যিক অবদানের কথা তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, সাহিত্যের প্রায় সব শাখাতেই তাঁর বিচরণ ছিল। কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও সংগীতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। তাঁর রচিত প্রায় চার হাজার গানের অধিকাংশের সুরও তিনি নিজেই করেছেন।
রিজভী বলেন, বর্তমান সময়েও নতুন প্রজন্মের মধ্যে নজরুলচর্চা বাড়ানো জরুরি। তাঁর বাণী ও আদর্শ মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে নির্ভীক হতে অনুপ্রাণিত করে।
এ সময় বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, জাসাসের সদস্যসচিব জাকির হোসেন রোকনসহ দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।