একই সময়ে ৩৪৬ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ছিল মালয়েশিয়ার কুচিং। দ্বিতীয় অবস্থানে কঙ্গোর কিনশাসা, স্কোর ১৬৮। ভারতের কলকাতা ১৬৪ স্কোর নিয়ে তৃতীয় এবং মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ১৬০ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে ছিল।
আইকিউএয়ারের সূচক অনুযায়ী, ০ থেকে ৫০ স্কোরের মধ্যে বায়ুর মান ‘ভালো’, ৫১ থেকে ১০০ ‘সহনীয়’ এবং ১০১ থেকে ১৫০ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’। ১৫১ থেকে ২০০ ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বায়ুদূষণ শিশু, প্রবীণ, অসুস্থ ব্যক্তি ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশে বায়ুর মান নির্ধারণে পিএম১০, পিএম২.৫, নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনোক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন (ও₃) বিবেচনা করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের ২০১৯ সালের এক প্রতিবেদনে ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান উৎস হিসেবে ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণকাজের ধুলাকে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যানসার ও তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণজনিত কারণে বছরে আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।




