সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, গত ১৮ আগস্ট হাজতখানায় কেক কাটার ঘটনা ঘটে। একই সময়ে আসামিদের স্বজনদের অতিরিক্ত খাবার নিয়ে হাজতখানায় প্রবেশের অভিযোগও ওঠে।
এর আগে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান হাজতখানায় কেক কেটেছেন। টিফিন ক্যারিয়ারে করে ভাত এনে অন্যদের সঙ্গে খাওয়ার অভিযোগও এসেছে বলে জানান তিনি।
তবে জিয়াউল আহসানের আইনজীবী নাজনীন নাহার কেক কাটার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, হাজতখানা জন্মদিন উদযাপনের জায়গা নয় এবং সেখানে কেক পাওয়ার বা কার সঙ্গে কেক কাটার সুযোগও নেই।
ঘটনার বিষয়ে তিনজনকে শোকজ করে তাঁদের বক্তব্য জানতে চেয়েছে ট্রাইব্যুনাল প্রশাসন।



