তিনি বলেন, বই শুধু জ্ঞান দেয় না, চিন্তার শক্তি বাড়ায়, ইতিহাস জানতে শেখায় এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে সহায়তা করে। ইতিহাস না জানলে বর্তমানকে বোঝা যায় না, আর বর্তমান না বুঝলে ভবিষ্যতের পথ তৈরি করা সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬-এর পঞ্চম দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পাঠাগার জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান। জিয়া স্মৃতি বইমেলার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে বইয়ের সঙ্গে আরও বেশি যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, রাজনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তা জানতে তাঁর লেখা বই পড়ার আহ্বান জানিয়ে আফরোজা খানম বলেন, ‘একটি জাতির জন্ম’ ও ‘আমার রাজনীতির রূপরেখা’সহ বিভিন্ন গ্রন্থ বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় সম্পর্কে জানতে সহায়তা করে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রাম নিয়েও বই পড়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জ্ঞানভিত্তিক, দক্ষ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন খাদ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করলেই হবে না। নতুন প্রজন্মকে জানতে, বুঝতে, প্রশ্ন করতে এবং পৃথিবী সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতে হবে। জ্ঞান অর্জনের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হলো বই।
নিজের বাবার লেখা বইয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে আবেগাপ্লুত খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাবার লেখা বই পড়লে তাঁর মনে হয়, বাবা যেন পাশে আছেন।
অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের জন্য ১০০টি বই উপহার দেন। প্রধান আলোচক ড. মাহাদী আমীনও জ্ঞানার্জন ও মননশীলতা বিকাশে বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ ইমরান সালেহ প্রিন্স। বিশেষ অতিথি হিসেবে অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মাহামুদা হাবিবা, অধ্যাপক ড. হারুন আল রশিদ ও সাঈদ মাহমুদ জুয়েল বক্তব্য দেন।




