বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। হংকং সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নবিষয়ক সেক্রেটারি আলজের্নন ইএই।
চুক্তির ফলে দুই দেশের বিনিয়োগকারীদের পারস্পরিক বিনিয়োগ ও পুঁজির সুরক্ষা আরও জোরদার হবে। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি এবং নতুন অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের সপ্তম বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগের উৎস হংকং। চুক্তির ফলে বাংলাদেশে হংকংয়ের বিনিয়োগ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়তে পারে।
সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে হংকং থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ পেয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালেই এসেছে ১২২ মিলিয়ন ডলার।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার ও বাণিজ্য ঘাটতি কমাতেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।




