বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে যশোর-৫ আসনের বিরোধীদলীয় সদস্য কাজী এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিদেশস্থ বাংলাদেশি মিশনগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের কারাগার ও আটককেন্দ্রে এসব বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন। কোনো বাংলাদেশি নাগরিক বিদেশে গ্রেপ্তার হলে সংশ্লিষ্ট মিশন কারাগার বা আটককেন্দ্র পরিদর্শন করে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ, প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ, মামলাসংক্রান্ত পরামর্শ এবং আইনি সুরক্ষার ব্যবস্থা করে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বন্দির আইনজীবী নিয়োগের সক্ষমতা না থাকলে আদালতের মাধ্যমে আইনজীবী নিয়োগের চেষ্টা করা হয়। জরিমানা পরিশোধের প্রয়োজন হলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কারাদণ্ড শেষ হলে দ্রুত ভ্রমণ অনুমতিপত্র ইস্যু, দেশে ফেরার বিমান টিকিট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রত্যাবাসন ব্যয়ও বহন করা হয়।
তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সমন্বয়ে এসব সেবা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষেত্রবিশেষে স্বাগতিক দেশের কাছে সাধারণ ক্ষমার আবেদনও করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে আটক বাংলাদেশি নাগরিক এবং মিয়ানমারে আটক তিন বাংলাদেশি জেলেকে দেশে ফেরাতে এ ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ড. খলিলুর রহমান জানান, বিদেশে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শিগগিরই একটি বিশেষ পোর্টাল চালু করবে।




