অর্থাৎ ছয় মাসে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন। বর্তমানে মজুতের মধ্যে চাল ২০ লাখ ৩৬ হাজার ১০২ মেট্রিক টন, গম ২ লাখ ৩২ হাজার ১৮৩ মেট্রিক টন এবং ধান ৩৪ হাজার ৭০ মেট্রিক টন।
সরকারি খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। আগে প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে তা ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এই সক্ষমতা ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে নিরাপদ খাদ্য মজুতের মানদণ্ড ১৩ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১৬ লাখ মেট্রিক টন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক এবং খাদ্য সরবরাহ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সচল রাখতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।
চলতি বোরো সংগ্রহেও অগ্রগতি হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধান ও চাল মিলিয়ে ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মোট ৮ লাখ ২৭ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে।
খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বাজারে সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে সংগ্রহ, আমদানি ও সংরক্ষণ কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।




