রোববার ঢাকা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব শুধু প্রশাসনের নয়। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগে নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোকেও আরও সক্রিয় হতে হবে।
রাজধানী ও আশপাশের অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আগামী কয়েক মাসে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে আবাসিক হোটেল ও গেস্টহাউসে অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তদারকি বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়, জনগণের কল্যাণই প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
সভায় ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ সংসদ সদস্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




