ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এবং স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট আয়োজনের অধিকার দাবি করে একটি যৌথ ঘোষণায় সই করা হতে পারে।
বৈঠকে স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার জন সুইনি, ওয়েলসের ফার্স্ট মিনিস্টার রুন আপ আইওয়ার্থ এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার মিশেল ও’নিল অংশ নেবেন। আয়ারল্যান্ডের বিরোধী দলের নেতা ও সিন ফেইনের সভাপতি মেরি লু ম্যাকডোনাল্ডও বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।
স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে এবারই প্রথম তিনটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারের নেতৃত্বে স্বাধীনতাপন্থি দল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের সাংবিধানিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
তবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম স্কটল্যান্ডের আরেকটি স্বাধীনতা গণভোটের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। তিনি বলেছেন, পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের আগে এ ধরনের গণভোট আয়োজনের প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, স্কটল্যান্ড বা নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে যুক্তরাজ্য ছাড়ার পক্ষে স্পষ্ট জনসমর্থনের ভিত্তি নেই।



