আজ সকাল ১০টায় মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, বিমানের বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজের স্বল্পতা রয়েছে। তবে ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই উড়োজাহাজ কেনা হবে বলে জানান তিনি।
উচ্চ ঝুঁকির কার্গো ও ডাক মর্যাদা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে উচ্চ ঝুঁকির কার্গো ও ডাক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে সময় ও ব্যয় বেড়েছে। বর্তমান সরকার এ মর্যাদা প্রত্যাহারে উদ্যোগ নিয়েছে। এ জন্য বিমানবন্দরে প্রয়োজন অনুযায়ী বিস্ফোরক শনাক্তকরণ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, সাম্প্রতিক অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সন্তোষজনক মূল্যায়ন পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে উচ্চ ঝুঁকির কার্গো ও ডাক মর্যাদা প্রত্যাহারে উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশের আতিথেয়তা খাতের বিকাশে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের এভিয়েশন হাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
এ সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ভূমি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে মেনজিস এভিয়েশনের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ নিয়েও আলোচনা হয়।




