মঙ্গলবার ডাকসু সংগ্রহশালা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
ডাকসু সংগ্রহশালায় ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বাংলা ভাষাবিরোধী বক্তব্যের ছবি ও উদ্ধৃতি প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া বিবৃতির সমালোচনা করেন ফরহাদ।
তিনি বলেন, গত ৫০ বছরের ইতিহাসে কোনো ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ‘কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে’—এ ধরনের ভাষায় বিবৃতি দিতে দেখা যায়নি। তার দাবি, প্রশাসন যেন একটি রাজনৈতিক দলের বিবৃতি হুবহু কপি করে নিজেদের পেজে প্রকাশ করেছে।
ডাকসু জিএস বলেন, জিন্নাহর বাংলা ভাষাবিরোধী বক্তব্য ইতিহাস ও বিভিন্ন পাঠ্যবইয়ে উল্লেখ রয়েছে। অথচ ওই বক্তব্যের ছবি ও উদ্ধৃতি প্রদর্শনের কারণে ডাকসুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।
উপাচার্যের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ডাকসু সংগ্রহশালা উদ্বোধনের আগে উপাচার্য দুইবার সেখানে পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি দেখেছেন। তখন বিষয়টি নিয়ে আপত্তি না জানিয়ে পরে একটি দলের বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
এস এম ফরহাদ আরও বলেন, অতীতের বিভিন্ন সরকারের আমলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে এ ধরনের কঠোর ভাষায় বিবৃতি দেয়নি। বর্তমান প্রশাসনের অবস্থান সেই নীতিকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
এ সময় ডাকসু সংগ্রহশালায় হামলা ও সম্পদ ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।




