বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ১১ জুন বিভাগের একটি পরীক্ষা চলাকালে কারিবকে দুই পায়ের মাঝখানে মোবাইল ফোন রেখে ব্যবহার করতে দেখা যায়। পরে ফোন পরীক্ষা করে গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সেবা জেমিনিতে ওই পরীক্ষার প্রথম প্রশ্নের উত্তর খোঁজার তথ্য পাওয়া যায়।
সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে তাঁর উত্তরপত্র জব্দ করা হয়। উত্তরপত্রে লেখা দুই লাইনের সঙ্গে জেমিনিতে পাওয়া উত্তরের হুবহু মিল পাওয়া গেলে উত্তরপত্র ও সংশ্লিষ্ট আলামত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
পরে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সভায় উত্থাপিত হয়। গত ২০ আগস্ট সভায় শাস্তির সুপারিশ করা হলে ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ সেপ্টেম্বরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনসহ বিভিন্ন অপরাধে বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মোট ৬৪ শিক্ষার্থীকে ‘পরীক্ষা +১’, ‘পরীক্ষা +২’ ও ‘পরীক্ষা +৩’ মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।



