শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।
গেজেট অনুযায়ী, নতুন বেতনস্কেল একবারে পুরোপুরি কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্বদের বর্তমান ও নতুন বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ৫০ শতাংশ দেওয়া হবে।
পরবর্তী ধাপে ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত এ হার যথাক্রমে ৭০ শতাংশ ও ৭৫ শতাংশ হবে। এরপর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুযায়ী বার্ষিক বেতনবৃদ্ধিসহ মূল বেতন শতভাগ কার্যকর হবে।
১ জুলাই থেকেই বকেয়া
গেজেটে বলা হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন সরকারি কর্মচারীরা বকেয়া হিসেবে পাবেন। তবে এ সময়ের পাওনা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আগে পাওয়া বিশেষ সুবিধার অর্থ সমন্বয় করা হবে।
পেনশনভোগীরাও পাবেন বকেয়া
নতুন পে-স্কেলের আওতায় পেনশনভোগীদের সুবিধাও ধাপে ধাপে বাড়বে। ২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্ব নিট পেনশনের বৃদ্ধির ৪০ শতাংশ এবং ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশনের বৃদ্ধির ৫০ শতাংশ ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দেওয়া হবে।
২০২৭ সালের প্রথম ছয় মাসে এ হার যথাক্রমে ৭০ শতাংশ ও ৭৫ শতাংশ হবে। ১ জুলাই ২০২৭ থেকে পূর্ণ হারে নতুন নিট পেনশন কার্যকর হবে। অবসরপ্রাপ্ত ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীরাও ১ জুলাই থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া পাবেন।
ভাতা বাড়বে ২০২৮ সালে
নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলেও উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত ৩০ জুন ২০২৬-এর হারেই দেওয়া হবে। ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী ভাতা দেওয়া হবে।
এদিকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার সঙ্গে বিশেষ সুবিধা বিলুপ্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে। ১ জুলাই থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত পাওয়া বিশেষ সুবিধার অর্থ বকেয়া বেতন থেকে সমন্বয় করা হবে।




