২০২৫ অর্থবছরের তুলনায় এবার ঘাটতি বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ। ২০২৬ অর্থবছরে সরকারের মোট রাজস্ব ছিল ৫ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ৩ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে ব্যক্তিগত আয়কর থেকে এসেছে ২ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন এবং বেতনভিত্তিক কর থেকে ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে সরকারি ব্যয় ৬ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৭ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ব্যয়ের বড় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে সামাজিক নিরাপত্তায় ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন, মেডিকেয়ারে ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন, ঋণের সুদ পরিশোধে ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন, স্বাস্থ্য খাতে ১ ট্রিলিয়ন এবং প্রতিরক্ষায় ৯৬৫ বিলিয়ন ডলার।
দেশটির জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন বাজেট ঘাটতির তথ্য সামনে এল। উচ্চ সুদের কারণে ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় বাড়ছে। বর্তমানে সরকারি ব্যয়ের তৃতীয় বৃহত্তম খাত এই সুদ পরিশোধ।
বাজেট বিশ্লেষকদের মতে, বড় কোনো অর্থনৈতিক সংকট ছাড়াই ঘাটতি ও ঋণ বাড়তে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক নীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। কমিটি ফর আ রেসপন্সিবল ফেডারেল বাজেটের মায়া ম্যাকগিনাস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তিনি বাজেট ঘাটতি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণের পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, এতে জিডিপির তুলনায় ঋণের অনুপাত স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হতে পারে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।




