প্রধান বিষয়বস্তুতে যান
সর্বশেষ
বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য: বাণিজ্যমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির নতুন কমিটি ছাত্রশক্তির প্রথম কাউন্সিলে সভাপতি বাকের, সম্পাদক তাহমীদ মুসলিম তালাক আইনকে বৈধ বলল ভারতের আদালত ভারতে শি জিনপিং, অরুণাচলে চীনের অবকাঠামো নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ ঢাকাকে আন্তর্জাতিক কানেকটিং হাব করতে চায় ইউএস-বাংলা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই: প্রতিমন্ত্রী ২০২৮ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন কারিকুলাম: প্রতিমন্ত্রী ভাইভায় বিশেষ নম্বর দিয়ে কাউকে পাস করানোর পরিকল্পনা নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার চার লেন প্রকল্প ফাইনাল স্টেজে
ঢাকা সিটি কলেজ

১৯৮ শিক্ষকের মধ্যে নিয়োগ অবৈধ ১০৫ জনের

বিজ্ঞাপন
১৯৮ শিক্ষকের মধ্যে নিয়োগ অবৈধ ১০৫ জনের
রাজধানীর ধানমন্ডির ঢাকা সিটি কলেজে শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে আর্থিক ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ খাতেই ব্যাপক অনিয়ম, জালিয়াতি ও আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) সর্বশেষ অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলেজটিতে কর্মরত ১৯৮ জন শিক্ষকের মধ্যে ১০৫ জনের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সরকারি আইন, বিধিমালা ও বৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে। একই সঙ্গে গত নয় বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাবে পাওয়া গেছে গুরুতর অসঙ্গতি। ব্যাংকিং বিধি ভেঙে নগদে ৭২ লাখ ৭৭ হাজার ২১৯ টাকা ব্যয়, ভ্যাট ও উৎসে আয়কর বাবদ ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৭৫৯ টাকার বেশি সরকারি রাজস্ব ফাঁকি এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে গভর্নিং বডির সদস্যদের এক কোটি ৯৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩০ টাকা সম্মানী দেওয়ার তথ্যও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ডিআইএ এসব অনিয়মকে আর্থিক বিধির গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে চালানের মাধ্যমে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

ক্ষেত্রে সরকারি বিধি অনুযায়ী উৎসে আয়কর কেটে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়নি। এ খাতে একই সময়ে ২ লাখ ৯২ হাজার ৬৭ টাকার আয়করও জমা দেওয়া হয়নি। সবমিলিয়ে ভ্যাট ও আয়কর বাবদ ফাঁকি দেওয়া ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৭৫৯ টাকা এবং গভর্নিং বডির নেওয়া এক কোটি ৯৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩০ টাকা দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে তার চালানের অনুলিপি মন্ত্রণালয়ে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
300*250 Ad-A-P1

অডিট প্রতিবেদনে কলেজটির ভৌত অবকাঠামো ও প্রশাসনিক অবস্থারও বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে কলেজটিতে শিক্ষার্থী রয়েছেন ১০ হাজার ৮১১ জন। প্রায় ৩৯৪ দশমিক ০৩ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে ১৮০টি শ্রেণিকক্ষ। তবে, পরিদর্শনের সময় কলেজ কর্তৃপক্ষ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক নথি ও একাডেমিক হিসাব পরিদর্শন দলের কাছে উপস্থাপন করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
300*250 Ad One-Green

প্রতিবেদনে কলেজটির বিরুদ্ধে চলমান একাধিক আইনি জটিলতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আবাসিক এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণসংক্রান্ত রিট পিটিশন (মামলা নং-৪৭২/২০১৩), ২০১৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির মামলা (মামলা নং-১৯/২৫৮-২০১৩), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার জালিয়াতি মামলা (মামলা নং-১৩২৫২/২০১৩) এবং নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত দুটি মামলা (মামলা নং-০৭/১৮৫-২০১২ ও ০৬/১৮৪-২০১২)। তবে, এসব মামলা পরিচালনায় কলেজের তহবিল থেকে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, তার কোনো হিসাব বা প্রমাণকও অডিট দলকে দেখাতে পারেনি কলেজ কর্তৃপক্ষ।

অডিট প্রতিবেদনে ঢাকা সিটি কলেজের নিয়োগ ও আর্থিক পরিচালনায় যেসব ভয়াবহ অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে, তা সরকারি আইন ও নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সরকারি আইন অমান্য করে কোনো প্রতিষ্ঠানই চলতে পারে না। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিটি টাকার সঠিক হিসাব ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা আবশ্যক

বিজ্ঞাপন
728*90 Ad One-Y

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের অডিট অফিসার চন্দন কুমার দেব এবং সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মনিরুজ্জামান কলেজটি পরিদর্শন করে এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর এম. এম. সহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে ঢাকা সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদনে উল্লিখিত সব অনিয়ম, আর্থিক লেনদেন ও রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রমাণকসহ ‘ব্রডশিট’ আকারে জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
728*90 Ad One-P

বিষয়টি নিয়ে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) পরিচালক প্রফেসর এম. এম. সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা, স্বচ্ছতা ও সুশাসন বজায় রাখা আমাদের মূল লক্ষ্য।

অডিট প্রতিবেদনে ঢাকা সিটি কলেজের নিয়োগ ও আর্থিক পরিচালনায় যেসব ভয়াবহ অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে, তা সরকারি আইন ও নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সরকারি আইন অমান্য করে কোনো প্রতিষ্ঠানই চলতে পারে না। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিটি টাকার সঠিক হিসাব ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা আবশ্যক।’

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিবেদনের ব্রডশিট জবাবের জন্য ১৫ কার্যদিবস সময় দিয়েছি। জবাব ও প্রমাণক পর্যালোচনার পর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

বিজ্ঞাপন
728*90 Ad One-be
ঢাকা ম্যাগাজিনের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
শিক্ষা থেকে আরও
২০২৮ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন কারিকুলাম: প্রতিমন্ত্রী

২০২৮ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন কারিকুলাম: প্রতিমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে
ভাইভায় বিশেষ নম্বর দিয়ে কাউকে পাস করানোর পরিকল্পনা নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

ভাইভায় বিশেষ নম্বর দিয়ে কাউকে পাস করানোর পরিকল্পনা নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে
জাবিতে মাত্র একজন প্রার্থী নিয়েই বসছে শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড

জাবিতে মাত্র একজন প্রার্থী নিয়েই বসছে শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড

১৮ ঘণ্টা আগে
ধর্মীয় নেতা ও সেবাকর্মীদের সম্মানিতে ১১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

ধর্মীয় নেতা ও সেবাকর্মীদের সম্মানিতে ১১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

২ দিন আগে
অবহেলায় মশার প্রজনন হলে জেল-জরিমানাসহ কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক

অবহেলায় মশার প্রজনন হলে জেল-জরিমানাসহ কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক

২ দিন আগে
এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ

২ দিন আগে