সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর তৃতীয় সংশোধন-২০২৬-এর খসড়া নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোম্পানি আইন মূলত ব্যবসায়ীরাই ব্যবহার করবেন। তাই তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, প্রয়োজন ও ভবিষ্যৎ চাহিদার ভিত্তিতে আইনটি আধুনিক করা জরুরি। দীর্ঘদিন বড় ধরনের পরিবর্তন না হওয়ায় ব্যবসার ধরন, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ কাঠামো ও বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইন সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার তাড়াহুড়ো করে আইনটি চূড়ান্ত করতে চায় না। খসড়া সংশোধনী পর্যালোচনা করে মতামত দেওয়ার জন্য ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ৩০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে এ সময় আরও বাড়ানো হতে পারে।
বিভিন্ন দেশের কার্যকর কোম্পানি আইন পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো গ্রহণ করা হবে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এলডিসি উত্তরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সংস্কারের বিকল্প নেই। কোম্পানি আইন সংস্কার বৃহত্তর অর্থনৈতিক সংস্কারেরই অংশ।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসা সহজ হলে বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে। তাই বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক প্রস্তাব দেওয়ার জন্য ব্যবসায়ী নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সভায় কোম্পানি আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তাব উপস্থাপন করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মোস্তফা জামাল হায়দার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির।
এ সময় এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, ডিসিসিআই, বিটিএমএ, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




