রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ বাড়ার সঙ্গে অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে আধুনিক আইনি কাঠামোর পাশাপাশি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার গুরুত্বও বেড়েছে। অপরাধের শুধু উপসর্গ নয়, এর মূল কারণ খুঁজে বের করতে হবে। তাঁর মতে, বিভিন্ন অপরাধের পেছনে মাদক ও জুয়া বড় ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, ক্রাইম রিপোর্টাররা ঝুঁকি নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিকদের সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সনদ দেওয়ার বিষয়েও আইনগত দিক পর্যালোচনা করা হবে।
অনলাইন জুয়া ও মাদকসহ নতুন ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় আইনি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইন আধুনিক করা হচ্ছে। এ সময় তিনি ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন ২০২৬’ ও ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের কথা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল, সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য দেন। পরে কেক কেটে ক্র্যাবের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।




