স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল ৮টার দিকে বিহার রক্ষণাবেক্ষণকারী সাবেক মেম্বার ধুংচাই বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানান। পরে খবর পেয়ে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শওকত জামিলের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অংখ্যচিং মার্মা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সময় ক্যায়াংঘরটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ ছিল বলে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়।
নিহত জাফর আলম বাবুল মৃত ওসমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে স্বজনরা শোকাহত।
নিহতের ভাই মো. সিদ্দিক, শাহ আলম, কালু হাজী ও মোহাম্মদ সৈয়দ দাবি করেন, জাফর আলমের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। তাঁরা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিচার দাবি করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্তের পর ঘটনার বিস্তারিত কারণ জানা যাবে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা সদস্য মোতায়েন রয়েছে।




