জানা গেছে, সকাল ৭টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ডাকাডাকি করেও ফ্ল্যাটের দরজা খোলা হয়নি। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে যান। ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাহবুব আলম ও ওই নারীকে চন্দ্রিমা থানায় নিয়ে যায়।
মাহবুব আলম ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে চন্দ্রিমা থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। পরে তিনি নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ জানান, মাহবুব আলমের কোনো ছুটি নেই এবং কাউকে না জানিয়েই তিনি রাজশাহীতে গেছেন। অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করাও অপরাধ। বিষয়টি নওগাঁ জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মাহবুব আলম ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত থাকলেও নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত। এ ঘটনায় এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।



