বৈঠকে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সরবরাহব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি জরুরি। তিনি স্মার্ট গ্রিড ও আধুনিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৬’-এর আওতায় পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে রূপান্তরের ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোতেও ব্যাংকটির দ্রুত অর্থায়ন কামনা করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো পরিদর্শনের জন্য ব্যাংকের প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানান।
চায়না এক্সিম ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ওয়াং চুনইং বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুশক্তি এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে অর্থায়ন ও প্রযুক্তি বিনিময়ে তাঁদের আগ্রহ রয়েছে। এছাড়া জি-টু-জি ভিত্তিতে গ্রিড শক্তিশালীকরণ ও ডিপিডিসির নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়ন প্রক্রিয়া দ্রুত করতে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদার করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়।
বৈঠকে ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


