প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জাপান সরকারের প্রায় এক বছরের প্রচেষ্টায় চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাপানের বিচার, পররাষ্ট্র, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় পুলিশ সংস্থার প্রতিনিধিরা এতে স্বাক্ষর করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে চুক্তির কপি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।
চুক্তিটির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর। মেয়াদ শেষে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়বে। ফলে চুক্তিটির সম্ভাব্য মোট মেয়াদ হবে ১০ বছর।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, দুই দেশের মধ্যে কর্মী নিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানো এবং বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে কর্মীরা তুলনামূলক ভালো বেতন ও জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন।
চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানের স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা পাবেন এবং কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার কথা রয়েছে। গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে নারী কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা বা বৈষম্যের শিকার করার সুযোগ থাকবে না। এ কারণে জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়নি।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই চুক্তি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য জাপানের শ্রমবাজারে নতুন সুযোগ তৈরি করবে এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।




