একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ২৬ ধারা, যেখানে চেয়ারম্যান পদের জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি, তা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন।
রুলের জবাব দিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (এলজিআরডি) সচিব, আইন সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান।
শুনানি শেষে আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যের মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতাও রয়েছে। অথচ একই ধরনের বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগকারী একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান আইনে চেয়ারম্যান পদের জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি। এ কারণেই স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ২৬ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়েছে। রিটে চেয়ারম্যান পদের জন্য অন্তত স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।