দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারা বলেন, ২০২৩ সালে গ্রেপ্তারের পর থেকে আদিয়ালা কারাগারে থাকা ইমরানকে ৬ বাই ৮ ফুটের একটি কক্ষে প্রায় একাকী রাখা হয়েছে। ছয় মাসের বেশি সময় ধরে তারা বাবার সঙ্গে কথা বা দেখা করতে পারেননি বলেও দাবি করেন। তাঁর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তিরও গুরুতর অবনতি হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
ইমরানের ছেলেরা এসব পরিস্থিতির জন্য বিশেষভাবে আসিম মুনিরকে দায়ী করেছেন। তাদের দাবি, ইমরান প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে মুনিরকে পদচ্যুত করার পর থেকেই দুজনের সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কঠোর হয়। তবে এটি তাদের অভিযোগ; পাকিস্তান সরকার ইমরানের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইমরান পর্যাপ্ত খাবার, ব্যায়ামের সুযোগ, পারিবারিক সাক্ষাৎ ও চিকিৎসা পাচ্ছেন। এদিকে তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের পর আগস্টে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁকে স্বল্প সময়ের জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এবং পরে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
ইমরানের চিকিৎসা ও কারাবন্দিত্ব নিয়ে তাঁর পরিবার, আইনজীবী ও দল দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। তাঁর দুই ছেলে বাবার মুক্তির দাবিতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার চালালেও পাকিস্তানের রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন।



